News Bangla 24 BD | গাজীপুরে শিশু হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি, দুইজনের যাবজ্জীবন
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

গাজীপুরে শিশু হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি, দুইজনের যাবজ্জীবন


স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে এক শিশু হত্যা মামলায় এক জনকে ফাঁসি এবং দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার সকালে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক একেএম এনামুল হক ওই রায় দেন। রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে অর্থদন্ডও করেছেন বিচারক। মামলার অন্যতম আসামি জেলার শ্রীপুর উপজেলার চকপাড়া এলাকার হাসমত আলীর ছেলে মো. রিপন মিয়াকে (৩৩) ফাঁসিরদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং বগুড়া সদরের ভাটকান্দি গ্রামের মো. রহিমের ছেলে রবিউল ইসলাম (২০) ও শেরপুর ঝিনাইগাতী থানার দিঘীরপাড় এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে মো. মোজাফ্ফরসহ (১৯) প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিনমাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। গাজীপুরের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, জমাজমির বিরোধের জেরে ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর গভীর রাতে খুন হয় ৭ বছরের শিশু নাজনীন। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হওয়ার পর বাবাও অন্যত্র বিয়ে করেন। বাবার সাথে সম্পর্কের অবনতি হলে নাজনীন শ্রীপুরের চকপাড়া এলাকায় নানা হাসমত আলীর বাড়িতে আশ্রয় নেয় নাজনীন। হাসমত আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে প্রতিবেশি আব্দুল করিম, আব্দুল কাদির, আব্দুল মোতালেবদের বিরোধ চলছিল। আসামিরা হাসমত আলীকে তার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হুমকি দিয়ে আসছিল। ওই জমি না ছাড়লে নাজনীনের ক্ষতিসাধন করার হুমকী দিয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর সকালে হাসমত আলী তার স্ত্রী ও নাতনীকে বাড়ি রেখে টাঙ্গাইলে যান। এ সুযোগে ৩০ অক্টোবর দিবগাত রাত আড়াইটার দিকে নানীর সঙ্গে ঘুমিয়ে থাকা নাজনীনকে তুলে নিয়ে বাড়ির উঠোনে জবাই করে হত্যার পর আসামিরা চলে যায়। পরদিন সকালে নিহতের মা মোছা. আসমা বেগম বাদি হয়ে শ্রীপুর থানায় আব্দুল করিম, আব্দুল কাদির ও আব্দুল মোতালেবসহ কয়েকজনের নামোল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে উক্ত তিনজন জড়িত না থাকায় চার্জশিটে তাদের নাম বাদ পড়ে। মামলার সার্বিক তদন্তে আসামি রিপন, রবিউল এবং মোজাফ্ফর নাজনীনকে হত্যার প্রমান পাওয়ায় পরে তাদের নামে ২০১৬ সনের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খন্দকার আমিনুর রহমান আদালতে চার্জসিট জমা দেন। মামলার আসামি রিপনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ি আব্দুল করিমকে ফাঁসানোর জন্যই ওই দন্ডিতরা মিলে নাজনীনকে হত্যা করেছিল। মামলায় আটজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার সকালে আদালত ওই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মো. হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে শাহ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও ওয়াহিদুজ্জামান আকন (তমিজ) মামলা পরিচালনা করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ