একটি ক্লিন ও গ্রিন সিটি উপহার দিতে চাই …জাহাঙ্গীর আলম
স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, বিএনপির এজেন্ট নাই, সেটা তো আমার দেখার বিষয় না। তাদের এজেন্ট তাদের কাছে কেন আসে না, সে বিষয়েও আমার করার কিছু নাই। এটা তাদের ব্যাপার। আমরা তাদের কোনও এজেন্টকে বাধা দিচ্ছি না। আমার জানা মতে তারা তাদের এজেন্টদের কোনও ট্রেনিংও করায়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের এজেন্টদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ করছি। তাদের গত ২০ দিন যাবৎ ট্রেনিং দিচ্ছি। যাতে নির্বাচনে আমাদের এজেন্টরা ঠিকভাবে সব কাজ করতে পারে।’ বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের অভিযোগের পর রবিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলম এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত। বিএনপির প্রার্থী প্রতিনিয়ত অভিযোগ করে চলেছে। তিনি আমাকে, নৌকাকে, আওয়ামী লীগকে ও নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। হাসান উদ্দিন সরকার মুরব্বি মানুষ। তিনি আমার পার্টিকে, আমাকে সন্ত্রাসী বলছেন। আমাদের মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছেন। তার মতো একজন মুরব্বি মানুষের এমন কথা বলা উচিত না। বরং আমি হাসান উদ্দিন সরকারের বাসায় গেছি, তার খোঁজ-খবর রাখছি; তার কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করছি। তাকে যদি তার দল পছন্দ না করে তবে আমাদের কি করার আছে?’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এর আগেও তার ভাই নুরুল ইসলাম সরকার আমাদের গাজীপুরের নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারেক হত্যা করেছে। আইন তার ভাইকে আইনিভাবে সাজা দিয়েছে। মান্নান সাহেবের ওপর বিএনপি অন্যায় করেছে, কারণ তাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়নি। এটা তাদের দলের ব্যাপার। আমাদের কিছু না। বিএনপি তাদের কেন্দ্রীয় রাজনীতি ও দলের রাজনীতির স্বার্থে তারা বিভিন্ন মিথ্যা প্রচার করছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিচ্ছি না। আমি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা করছি। এছাড়াও গাজীপুরের আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে কারণ শেখ হাসিনা চায় জনগণকে একটি উন্নত শহর উপহার দিতে। সেজন্য তিনি আমাকে বিশ্বাস করে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি সেজন্য জনমানুষকে একটি ক্লিন ও গ্রিন সিটি উপহার দিতে চাই। আমরা এই যানজটের মধ্যে থাকতে চাই না। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে একটি বাসযোগ্য শহর গড়তে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এর আগে বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা কোনও কাজ করেনি, এতে গাজীপুরবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপনাদের মাধ্যমে আমি গাজীপুরের প্রতিটি ভোটারের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করছি। আগামী ২৬ জুন সম্মানিত ভোটাররা আমাকে ও নৌকায় ভোট দিয়ে একজন কর্মচারী হিসেবে কাজের সুযোগ দিন।’
২৪ জুন থেকে গাজীপুরের ভোটার ব্যতীত বহিরাগতরা কোনও প্রচার-প্রচারণা করতে পারবে না, নির্বাচন কমিশনের এমন প্রজ্ঞাপন জারির পরও খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক রোববার সকালে প্রচারণায় অংশ নিয়েছে। এটি কি আচরণবিধি লঙ্ঘন কিনা সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে এখনও কোনও চিঠি পাইনি। যদি চিঠি পাই, তবে সেটি পালন করবো। তাছাড়া ২৪ জুন রাত ১২টার পর থেকে নির্বাচনি প্রচারণা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এদিকে আমার দাবি ছিল যে যারা এই নগরীর ভোটার নন বা বহিরাগত তারা যাতে নির্বাচনের সময় গাজীপুরে প্রবেশ করতে না পারে।’ তবে এখন গণমাধ্যমের কাছ থেকে আমি জানতে পেরেছি, যেহেতু আমি কোনও চিঠি পাইনি। তাই আমি নিজেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করবো এবং নির্দেশ ও প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে জানবো।

টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার
স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী
সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল
আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ
বাণিজ্যিকভাবে ব্রেইন চিপ ডিভাইসের অনুমোদন দিয়েছে চীন
পপ তারকা টেইলর সুইফটই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা
পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু 