News Bangla 24 BD | ‘আন্দোলনে হামলা, রুখে দাড়াও বাংলা’ স্লোগানে প্রকম্পিত জাবি
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

‘আন্দোলনে হামলা, রুখে দাড়াও বাংলা’ স্লোগানে প্রকম্পিত জাবি


জাবি প্রতিনিধি:সাগর কর্মকার

‘আন্দোলনে হামলা কেন?, শেখ হাসিনা জবাব দাও’; ‘শিক্ষা-সন্ত্রাসী, একসাথে চলে না’; ‘হামলা করে আন্দোলন-বন্ধ করা যাবে না’; ‘আন্দোলনে হামলা, রুখে দাড়াও বাংলা’ প্রভৃতি  স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার দুপুর বারোটায় কোটাসংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের প্রতিবাদে  ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চ’ এর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলে এসব স্লোগান দেয়া হয়।
বিশ্বিবিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অনুষদ প্রদক্ষিন শেষে নতুন কলা অনুষদ ভবনে গিয়ে শেষ হয়।

নতুন কলা অনুষদ ভবনে অনুষ্ঠিত মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘কোটার কারণে সরকারি চাকরিতে একধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে। সরকার সহজেই এর সংস্কার না করে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর যে ভাষণ দিয়েছেন তা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর রাগের বহিঃপ্রকাশ করে। এই রাগের কারণেই পরবর্তীতে ছাত্রলীগ-পুলিশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।’
ছাত্রফ্রন্ট জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক দিদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চ’ এর আহ্বায়ক অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন বলেন,‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে যায়নি। নতুন প্রজন্ম অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে। সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন প্রজন্ম সংগ্রাম করে যাচ্ছে।’ এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেও নতুন প্রজন্মের সাথে ভাওতাবাজির আশ্রয় নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ন্যায্যতা ও সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বিভাজিত সমাজে কোটার প্রয়োজন হয়। তার মানে এই নয় সর্বক্ষেত্রে কোটা থাকতে হবে। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের কসম করে বলেন, যারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে মেধাবীদের সুযোগ না দিতে চায় তারাইতো মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধাচারণ করছেন।
এ সময় তিনি ছাত্রলীগকে তাদের নামের সাথে থাকা ‘ছাত্র’ শব্দটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কারও পেটোয়া বাহিনী হয়ে কাজ না করে সাধারণ শিক্ষার্থীর কাতারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে সরকারকে দমন-নিপীড়ন বন্ধ করে কোটা সংস্কারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, অধ্যাপক আনোয়রুল্লাহ ভূঁইয়া, সহযোগী অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি, সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন, সহযোগী অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মী প্রমুখ সহ শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ