News Bangla 24 BD | হরিণাকুন্ডুতে একই পরিবারের সবাই প্রতিবন্ধী, নেই থাকার ঘর - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

হরিণাকুন্ডুতে একই পরিবারের সবাই প্রতিবন্ধী, নেই থাকার ঘর


জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুু উপজেলার ৪নং দৌলতপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের একই পরিবারে ৪জন সদস্যই প্রতিবন্ধী। স্থানীয় মেম্বর জনাব সাইদুর রহমান আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, আমাদের গ্রামের শাহাদত মন্ডল সেও খোঁড়া ও তাঁর ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৩) , তার (শহিদুল) আপন খালা হাসিরন নেছা (৬০) স্বামী মৃতঃ রোমজান আলী ও তাঁর ছোটখালা কুলসুম (৪১) এরা একী পরিবারের সকল সদস্যই প্রতিবন্ধী যা মাঝে একজনের পায়ে সমস্যা ও অন্য তিন জন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যা নজীর বিহীন। এ ব্যাপারে প্রতিবন্ধী শহিদুল ইসলামের বাবা শাহাদত মন্ডল বলেন, আমি একজন দুস্থ অসহায় গরিব মানুষ, তারপর আবার ঠিকমত চলতে পারি না । আমার পায়ে সমস্যা, এই নিয়ে নিরুপাই হয়ে পরের ক্ষেতে কাজ করে চালাতে হয় সংসার। যদি কাজ না হয়তো সেদিন না কেয়েই থাকতে হয়। কারণ আমার সংসারের আমি ছাড়া সবাই প্রতিবন্ধী। আর আমার দৈনিক আয় দুই শত টাকা। যা বর্তমান বাজারে কিছুই হয় না, যার ফলে খুব কষ্ট করে চলতে হচ্ছে। তাছাড়া আপনারা দেখুন আমার কোন ঘরবাড়ী নেই শুনেছি প্রধান মন্ত্রী অসহায় মানুষের ঘরবাড়ী তৈরী করে দিচ্ছেন, যদি আপনাদের মাধ্যমে একটি ঘর পাইতাম তাহলে এই প্রতিবন্ধী পাগলদের নিয়ে কোন রকম ঠাঁই গুজে থাকতে পারতাম। সরকারী কোন সহযোগিতা পান কিনা? জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার পরিবারে আমি সহ তিনজন সদস্য প্রতিবন্ধী তার মাঝে শহিদুল তিনমাস পর ২১শত টাকা পায় আর কুলসুম পাই ১৫শ টাকা এবং আর আমার আয় দিয়েই চলে আমাদের সংসার। ঘরের ব্যাপারে আবেদন করেছেন কি না ? জানতে চাইলে জানান, আবেদন কি? তখন দরখস্ত ও মেম্বর বা চেয়ারম্যান বললে বলেন, আমরা বলতে পারি না আমাদের হয়ে বলবে এমন কেও নেই। এমন অবাক করা কথা শোনার পর প্রতিবেশীদের নিকট জানকে চাইলে তাঁরা বলেন, আমাদের গ্রামের কেও ঘর পায়নি। আর তাই এদের ব্যাপারে বলা হয়নী। ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলী জানান, ঘটনাটি আসলেই খুবি মর্মাহত এটা আমার জানার বাইরে ছিলো স্থানিয় ওয়ার্ড সদস্যরাও আমাকে কখনো বলেনী এমনকি তারাও কখোনো আসেনী তবে যখন জানলাম আমি এ ব্যাপারে খোজখবর নিয়ে ব্যাবস্থা করব এবং নিজেও তাদের দেখতে যাব।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ