সাজ সাজ রবে এগিয়ে আসছে পহেলা বৈশাখে। মনের মাঝে বাজতে শুরু করেছে ঢাকের টাকডুম টাকডুম বোল। শুধু কি তাই! চাই নতুন জামা, শাড়ি, চুড়ি আরও কত-কী অনুষঙ্গ। কত বেছে কত ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করতে হয় নিজের পছন্দের জিনিসটা। কত উত্তেজনা সে সবে।
এত সবের মাঝে ভুলে যাচ্ছেন কি? এত সাজের সমাহারের মাঝে আপনার প্রিয় চুল সাজানোর কথা? ভেবেছেন? কীভাবে সাজাতে চান আপনার চুলরাশি।
বৈশাখের সকাল বেলায় প্রখর রোদ থাকে। সারাদিন সবার সঙ্গে আনন্দে মেতে থাকা আর ঘোরাঘুরি করতে হয়। তাই এইদিনে যেমনই সাজ হোক না কেন তা যেন হয় আরামদায়ক।
যাদের চুল বড় এবং বেঁধে রাখতে পছন্দ করেন, তারা খোঁপা করে নিতে পারেন। লম্বা চুলে হাত খোঁপা, এলো খোঁপা, ফ্রেঞ্চ খোঁপা, বেণি অথবা ফ্রেঞ্চ বেণি করে পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফুল লাগাতে পারেন।
আবার যাদের চুল ছোট কিংবা বিভিন্ন ধরনের কাট দেয়া, রিবল্ডিং বা স্ট্রেইট করা তারা খোলা চুলে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে একপাশে ফুল গুঁজে দিতে পারেন।
উৎসবে ফুলের সাজটা বেশ লাগে। মডেল: নুসরাত ফারিয়া, ছবি: নকশাশরৎকাল! শিউলি, কাশফুল আর সাদা মেঘের ঘনঘটা চারপাশে।
চুল সাজাতে নিশ্চয়ই ফুলের কথাই ভাবছেন? হ্যাঁ, চুল সাজাতে ফুলের যে জুড়ি নেই। কবি নজরুল বোধ করি এ জন্যই গেয়েছেন ‘মোর প্রিয়া হবে এসো রানি, দেব খোঁপায় তারার ফুল…।’ বললেন নজরুলসংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। বিয়ে, জন্মদিন কিংবা গানের মঞ্চ সব জায়গাতেই তিনি হাজির হন ফুল দিয়ে চুল সাজিয়ে। তাঁরমতে, চুলে ফুলের সাজ তো বাঙালি নারীর চিরন্তন রূপ।
খোঁপায় পরার জন্য তাজা যেকোনো ফুলই তার পছন্দ। তবে গাজরার মালা তার বেশি ভালো লাগে। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে একই রঙের বা বিপরীত রঙের যেকোনো ফুলই তিনি খোঁপায় সাজিয়ে নেন। যেমন সাদা শাড়ির সঙ্গে লাল ফুল। লালের সঙ্গে সাদা ফুল। সবুজ, গোলাপি, হলুদ অন্যান্য যেকোনো রঙের শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে যায় তেমন ফুলটিই বেছে নেন তিনি।
বেলি, কাঠবেলির মালা বা লহর, রঙ্গন, কাঠগোলাপসহ সব তাজা ফুলই তার পছন্দের তালিকায় ঠাঁই নেয়। ফেরদৌস আরার মতে, চুলের সাজে ফুল একটি অনন্য অলংকার। রূপ বিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন, ফুল দিয়ে চুল সাজানোর আগে বয়স, ব্যক্তিত্ব, পেশা, সামাজিক অবস্থান, পোশাক, চেহারার ধরন, চুলের কাট, কোথায় যাচ্ছেন, কী ধরনের অনুষ্ঠান বা সেই অনুষ্ঠান কতটা জমকালো, এসব ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। বুঝে নিতে হবে যে ফুলে সাজতে চাইছেন সেটায় আপনাকে কতটা মানাবে।
তবে মুখের আকৃতি ছোট, গোল আকৃতির চ্যাপ্টা হলে ছোট ফুল ব্যবহার করা উচিত। যাদের মুখের আকৃতি লম্বাটে তাঁরা অপেক্ষাকৃত ছড়ানো, বড় ফুল ব্যবহার করতে পারেন পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে। তবে সাদা রঙের ফুল যেকোনো পোশাকের সঙ্গেই মানানসই। লাল ঠোঁটে, লাল টিপের সঙ্গে লাল রঙ্গন, গোলাপ, জবা, ডালিয়া ফুল পরলে ভালো লাগবে। গোলাপি ঠোঁটে, সবুজ শাড়িতে পরা যেতে পারে, পাতাসহ এক থোকা বাগানবিলাসও। সাজা যায় নানা রকম বুনোফুলেও।
সেই সঙ্গে চুলে করে নিতে পারেন হাত খোঁপা, বেণি খোঁপা, উঁচু খোঁপা, গোল খোঁপা, পনিটেইল, খেজুর বেণি, ফ্রেঞ্চরোল ইত্যাদি। এখানে বলা ফুলের অনেকগুলোই বাজারে কিনতে পাওয়া না গেলেও নিজ বাগানে অথবা আশপাশের বাড়িতে পাওয়া যায়।
বাজারে পাওয়া যায় বিভিন্ন রঙের গ্ল্যাডিওলাস, জারবেরা, গোলাপ, কাঠবেলি, কাঠগোলাপ ইত্যাদি। ২০-৩০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাবে এসব ফুল। তবে কিছু ফুল আছে যেগুলো দোকানে পাওয়া না গেলেও অর্ডার দিলে এনে দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ফুলের দোকানিরা।

নারী বিপিএল আয়োজন চূড়ান্ত-বিসিবি
‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’র পুরস্কার পেলেন খালেদা জিয়াসহ ৬ নারী
গাজীপুরে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে খালেদা জিয়ার অবদান শীর্ষক আলোচনা দোয়া ও ইফতার
সংসদের খারাপ সংস্কৃতি মানুষের মন থেকে আমরা মুছে দেবো- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোয় মিলছে না তেল, গাড়ি আর মোটরসাইকেলের উপচে পড়া ভিড়।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ
বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,
জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা 