News Bangla 24 BD | ঝিনাইদহে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত শিশু মৃত্যুর মুখে - News Bangla 24 BD
News Head
 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর উচ্চশিক্ষায় এআই ব্যবহারে ইউল্যাবে প্রশিক্ষণ শুরু টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ তৈরি করতে ঐক্যবদ্ধ যাত্রা শুরু হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে কাশিমপুরে গেস্ট হাউস থেকে ১১ নারীসহ আটক ১৬ দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে মেক্সিকো সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ ফুলের মেলা পাখির গানে পহেলা আষাঢ়ের বিকেল কুমিল্লায় লবণ পরিবহনের আড়ালে পাচার হচ্ছিল ইয়াবা, আটক ৫

ঝিনাইদহে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত শিশু মৃত্যুর মুখে


জাহিদুর রহমান তারিক ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের শিশু আজমির ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিন বছর বয়স হলেও তার ওজন পাঁচ কেজি। শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া ওঠে শিশুটির। যেতে পারে না ঘরের বাইরে। বিভিন্ন সময় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেও সঠিক কোনো রোগের নাম নির্ণয় করতে পারেননি তারা। দিনমজুর পিতা হাবিল হোসেন সহায়-সম্বল বিক্রি করে চিকিৎসা করালেও এখনো সুস্থ হয়নি শিশুটি। সে অন্ধকারে থাকতে পছন্দ করে।

ঝিনাইদহের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মেজর (অব) আহম্মদ আলি ক্লিনিক্যালি ডায়াগনসিস করে জেরোডার্মা পিগমেন্টোসাম (এক্সপি) রোগ বলে ধারণা করেন। এটি অতি বিরল রোগ। তবে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার মাধ্যমে রোগটির সঠিক নির্ণয় সম্ভব। এ রোগের চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার হয়নি বলে জানালেন এই চিকিৎসক।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আহম্মদ আলি আরো বলেন, কিছু দিনের মধ্যে রোগীর চোখ নষ্ট হয়ে যাবে।

স্থানীয় চিকিৎসকরা বলছেন জেলা পর্যায়ে এ রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। প্রথম দিকে ঝিনাইদহের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানো হয়। তিনি তাকে ১০ দিন হাসপাতালে ভর্তি করে রাখেন। পরে জানান, তার দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব নয়। ঢাকা নিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করতে পরামর্শ দেন।

শিশুটির মা আরজিনা খাতুন জানান, জন্মের চারদিন পর থেকে আজমীর হোসেনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোসকা পড়ে। এরপর থেকে শরীরের চামড়া উঠে যায়। চিকিৎসার পর ফোসকা পড়া বন্ধ হয়। এখন শরীরের বিভিন্ন স্থান ফুলে যায়। সেখান থেকে রস ঝরে এবং চামড়া খসে পড়ে।

সারাক্ষণ চুলকাতে থাকে। আজমীরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গোটা গোটা ঘাঁ রয়েছে। তিন বছর বয়স অনুযায়ী সে বাড়ছে না। চিকিৎসকরা ঠিকমতো বলতে পারছে না সে কি রোগে আক্রান্ত।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ