News Bangla 24 BD | নামের কারণে বিমানবন্দরে আটক মার্কিন পুলিশ প্রধান - News Bangla 24 BD
News Head
 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর উচ্চশিক্ষায় এআই ব্যবহারে ইউল্যাবে প্রশিক্ষণ শুরু টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ তৈরি করতে ঐক্যবদ্ধ যাত্রা শুরু হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে কাশিমপুরে গেস্ট হাউস থেকে ১১ নারীসহ আটক ১৬ দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে মেক্সিকো সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ ফুলের মেলা পাখির গানে পহেলা আষাঢ়ের বিকেল কুমিল্লায় লবণ পরিবহনের আড়ালে পাচার হচ্ছিল ইয়াবা, আটক ৫

নামের কারণে বিমানবন্দরে আটক মার্কিন পুলিশ প্রধান


যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আলেকজান্দ্রিয়া পুলিশের প্রধান ও উপপ্রধান ছিলেন হাসান অ্যাডেন।

কিন্তু ‘হাসান’ নামের কারণে তাকে আটক করে বিমানবন্দরের একটি কক্ষে দেড় ঘন্টা বন্দি করে রাখার ঘটনা ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষা কর্মকর্তারা।

চলতি মার্চ মাসের শুরুতে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিস থেকে দেশে ফেরার পর বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে নামের কারণে হাসানকে আটকে দেয়া হয়।

৫২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা হাসান নর্থ ক্যারোলিনার গ্রিনভিলের বাসিন্দা। তার মা ইতালিয়ান ও বাবা সোমালিয় বংশোদ্ভূত অভিবাসী মার্কিনী ছিলেন।

দশ বছর বয়স থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী হাসান আগে বহুবার দেশের বাইরে যাতায়াত করেছেন। কিন্তু কখনোই তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে বিরূপ পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি।

তবে এবারই শুধু নামের কারণে তাকে আটক করে জীবনের সব বিষয়াদি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষা কর্মকর্তারা।

পরে এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্টে নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন হাসান অ্যাডেন।

এতে হাসান বলেন, একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন, নজরদারি তালিকায় থাকা একজনের নামের সঙ্গে আমার নাম মিলে গেছে। তিনি জানান, আরেকটি এজেন্সিকে আমার তথ্য পাঠানো হয়েছে, যাতে আমার ব্যাপারে সন্দেহ না থাকে এবং আমার নাম বাদ দেয়া হয়। এরপরই আমি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে চলাচলের অনুমতি পাব।

এর এক ঘণ্টা পর আরেকজন কর্মকর্তা পরিস্থিতি খেয়াল করেন। তিনি হাসানের ব্যাপারে তথ্য আপডেট করে আধাঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন এবং ঘটনার জন্য ক্ষমা চান।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন হাসান। তিনি পোস্টে লিখেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের আগে আমি বহুবার হোয়াইট হাউজের বৈঠকে যোগ দিয়েছি। সেখানে জাতীয় পুলিশ নীতির পুনর্গঠনে পরামর্শ দিয়েছি। এরপরও যদি আমার সঙ্গে এমনটি ঘটতে পারে, তাহলে তা যেকোনো মার্কিনীর বেলায় ঘটতে পারে। কেউই এ ধরনের বেআইনি সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে নিরাপদ নয়।

তিনি বলেন, এককালে মহান যুক্তরাষ্ট্রকে আমি গর্বের সঙ্গে স্বদেশ বললেও এ অভিজ্ঞতার কারণে এ দেশের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আমি সংশয়গ্রস্ত হয়ে পড়েছি।

এই অভিজ্ঞতা আমার মধ্যে এমন প্রশ্নেরও জন্ম দিয়েছে যে সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র আমার স্বদেশ কি না বলেও ক্ষোভ জানান হাসান।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে মার্চ মাসে মুসলিম নামের কারণে কাউকে আটক করার ঘটনা দ্বিতীয়বারের মতো ঘটলো। এর আগে গত ১০ মার্চ বিখ্যাত বক্সার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী জুনিয়রকে নামের কারণে রিগ্যান জাতীয় বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ