কানাইঘাটে মাত্র ৪ মাসে কোরআনে হাফিজ হল নাসিম
কানাইঘাট সংবাদদাতা: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৭নং দক্ষিণ বাণিগ্রাম ইউনিয়নের বাণিগ্রামের ১২ বছরের শিশু নাসিম আহমদ মাত্র ৪ মাসে কোরআনে হাফিজ হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। সে বাণি গ্রামের তরিকত উল্লাহ ও মিসবা বেগমের গর্বিত সন্তান।
৮নং ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের স্থানীয় আগফৌদ নারাইনপুর গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকি ( রা:) হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে সে হিফজ সম্পন্ন করে।
নাসিম এর আগে তার নিজ গ্রাম বাণিগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় এ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর বিভিন্ন সামাজিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সে বিভিন্ন বৃত্তিতে ভূষিত হয়ে সে সবার নজর কাড়ে। হাফিজিতে ভর্তি হয়েও সে পুরস্কার অর্জন করে। অনেকটা দারিদ্র পরিবারের সন্তান হয়েও তার এমন প্রতিভার প্রশংসা করেছেন সবাই। অনেকেই বলেছেন এমন মেধাবীদের মেধা বিকাশে পড়াশুনা আটকে থাকবে না, কেউ না কেউ এগিয়ে আসবে। ৪ বোন ও ২ ভাইয়ের মধ্যে নাসিম সবার ছোট। নাসিমের এমন ফলাফলে মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তাঁর গর্বিত মা মিসবা বেগম ও বাবা তরিকত উল্লাহ সবার দোয়া চান।
নাসিম যে মাদ্রাসায় পড়ে এমন ফলাফল অর্জন করেছে সেটা প্রতিষ্টা করেছেন আগফৌদ নারাইনপুর গ্রামের আলোকিত ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন হযরত মাওলানা ফজলে হক (র.) ফাজিল সাহেবের চাচাতো ভাই প্রবাসী মাওলানা তফজ্জুল হক। ফাজিল সাহেবের বাড়ির পার্শেই এ প্রতিষ্টানটি প্রতিষ্টা করা হয় ২০০৮ সালে। প্রতিষ্টার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ জন কোরআনে হাফিজ হয়ে বের হয়েছেন। হাফিজিয়া পরীক্ষার বোর্ড সিলেট কুদরত উল্লাহ হাফিজিয়া বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে প্রায় প্রতি বছরই দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় স্থান লাভ করে আসছে এ মাদরাসাটি। মাদরাসায় ৪২ জন শিক্ষার্থী হাফিজি অধ্যয়ন করছেন। ২৫ জনের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা থাকলেও অনেকটা কষ্ট করেই ৩৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হচ্ছে। অন্যরা অনাবাসিক হিসেবে অধ্যয়ন করছেন। যাদের প্রচেষ্টায় এ মাদরাসা এগিয়ে যাচ্ছে তারা হলেন এ মাদরাসার দুজন শিক্ষক। হাফিজ মাওলানা মো: মখলিছুর রহমান ও হাফিজ মখলিছুর রহমান। দুই মখলিছুর রহমানের প্রচেষ্টায় মাদরাসার মান এগিয়ে গেলেও শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় মাদরাসার আবাসিক সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করছে। আবাসিক সংখ্যা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবী।
স্থানীয় বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক জামিলুর রহমান জামিল বলেন, মাদরাসার সুনাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে ছাত্র সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিষ্টাতার পক্ষে নতুন করে আবাসিক সংখ্যা বৃদ্ধি করা একটু কষ্টকর। সরকারসহ বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন তবে এ মাদরাসা অনেক এগিয়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার
পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন
প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী
টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার
স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী
সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল
আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত 