News Bangla 24 BD | ঝিনাইদহ ও শৈলকুপায় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ও ভাতা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ! - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

ঝিনাইদহ ও শৈলকুপায় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ও ভাতা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন !


জাহিদুর রহমান তারিক ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই সাথে দাবী করা হচ্ছে সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করার। যাদের কাছে সঠিক কাগজপত্র থাকবে আর দাবীর সমর্থনে অন্তত ৫ জন মুক্তিযোদ্ধা সনাক্ত করবেন তাদেরকে চুড়ান্ত তালিকায় নাম রাখার দাবী উঠেছে।

শনিবার ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শহরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ব্যনারে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ও ভাতা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়। শৈলকুপা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মনোয়ার হোসেন মালিথার নেতৃত্বে মানবন্ধনে শৈলকুপার মুক্তিযোদ্ধাগন অংশ গ্রহন করেন।

মনোয়ার হোসেন মালিথা তার বক্তব্যে বলেন, এমন কিছু লোক আছেন যারা মুক্তিযুদ্ধ না করেও গেজেটে নাম উঠেছে। তারা নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন। এ সব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম গেজেট থেকে বাদ দিয়ে তাদের ভাতা বাতিল করতে হবে।

শৈলকুপা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিল সূত্রে জানা যায়, গেজেট ও লাল বার্তা মিলেয়ে ৮৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। যাদের মধ্যে ১১৮ জনের বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে খোঁজ নিয়ে যানা গেছে বিভিন্ন সময় ঝিনাইদহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাধরণ মানুষের নাম তালিকাভুক্ত করেছেন।

অন্যদিকে অনেক ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ করেও তাদের নাম তালিকায় ওঠেনি। সম্প্রতি মাগুরার আব্দুর রাজ্জাক, ঝিনাইদহ শহরের কাঞ্চনগরের জয়গুন নেছা ও সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুল জলিলকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাদের সনদ আছে। কোন সেক্টরে কার অধীন যুদ্ধ করেছেন তাও প্রমান আছে। এতো কিছুর পরও তাদের নাম তালিকায় উঠছে না।

এ নিয়ে জেলাব্যাপী অসন্তোষ বিরাজ করছে। ২০১০ সালের ২৫ মে এ ধরণের একটি তালিকা তৈরী করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদে পাঠান ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক। তৎকালীন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হক খান দায়িত্ব নিয়ে জেলাব্যাপী যাচাই বাছাই করেন। তার এ কাজে মুক্তিযোদ্ধারা সহায়তা করেন।

সেই তালিকায় ঝিনাইদহে ৪৮৮ জন, কালীগঞ্জে ৯০ জন, শৈলকুপায় ৫০৫ জন, কোটচাঁদপুরে ১০১ জন, মহেশপুরে ১১৮ জন ও হরিণাকুন্ডুতে ১০৫ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম অর্ন্তভুক্তি হয়। সেই হিসাব মতে সারা জেলায় ১৪০৭ জন মুক্তিযোদ্ধা থাকার কথা।

কিন্তু বর্তমান জেলায় ২৩০৯ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে নুতন করে যতবার যাচাই বাছাই করা হয়েছে ততবারই মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বেড়েছে। বক্তব্য জানতে এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মকবুল হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ