News Bangla 24 BD | ‘ইদানীং আমি ফুল দেখলে খুব ভয় পাই’ - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে নোয়াখালী জেলা সমিতি, ঢাকার পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, গণসংবর্ধনা আমি একদম পছন্দ করি না। কারণ আমি মাত্রই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। এখন পর্যন্ত এমন কোনো কর্মকাণ্ড করিনি যে আমাকে গণসংবর্ধনা দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মানুষ ফুল দেখলে খুশি হয়। আর ইদানীং আমি ফুল দেখলে খুব ভয় পাই। আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি, ভালোবাসার ফুল কোনটি আর স্বার্থের ফুল কোনটি।’ কারণ, অনেকে ফুল নিয়ে এসে বলে এমনিই আসছি। পরেই একটা কাগজ ধরিয়ে দেয়। দাবি তো মন্ত্রীর কাছে থাকবে…। আমি জানি, এসব ফুলের সঙ্গে কত স্বার্থ!’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সত্তর বছর বয়সেও তার গতি অ্যারাবিয়ান হর্সের মতো। অনেক সময় আমরাও তাঁর সঙ্গে তাল মেলাতে পারি না। তাঁর মতো ভিশনারি ও ডায়নামিক নেতা যে দেশে আছেন, সে দেশ এগিয়ে যাবেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে রাজনীতিতে এসেছি। আমার রাজনীতির শিক্ষা, অনেক কিছু তারই কন্যা শেখ হাসিনার কাছ থেকে পেয়েছি। এখনো পাচ্ছি। আজ আমি আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি তারই অবদানে। না হলে আসতে পারতাম না।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। আমি নোয়াখালীর উন্নয়নের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করব। নোয়াখালী আমার জন্মভূমি ও নির্বাচনী এলাকা। তবে আমরা মূল নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ। আমি মন্ত্রী বাংলাদেশের, শুধু নোয়াখালীর নয়। অন্য এলাকাকে বঞ্চিত করে, নোয়াখালীর উন্নয়ন করব—এই মানসিকতা আমার নেই।’

তিনি বলেন, ‘সম্মেলনে সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি কিন্তু এতদিন ধরে ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ডে অভিনন্দন ও স্লোগান চলতে থাকে। এসব অভিনন্দনে সিক্ত হয়ে আমার মধ্যে অহঙ্কারবোধ তৈরি হতে পারে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জেলা সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক আমাকে এ ধরনের আয়োজন (গণসংবর্ধনা) সম্পর্কে অবহিত করেন। আমি তাদের স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছিলাম আমি কোনো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাবো না, নোয়াখালীর মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবো যা অনেক শোভন। গণসংবর্ধনা আমি একদম পছন্দ করি না। তারপরও আমি তাদের দেয়া কথা রেখে এখানে এসেছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ