News Bangla 24 BD | কাপাসিয়ায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও কর্মস্থান বিষয়ক আলোচনা - News Bangla 24 BD
News Head
 দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ হারায় বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে ব্রেইন চিপ ডিভাইসের অনুমোদন দিয়েছে চীন পপ তারকা টেইলর সুইফটই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

কাপাসিয়ায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও কর্মস্থান বিষয়ক আলোচনা


কাপাসিয়া প্রতিনিধি : শ্যামল বাংলা কৃষি ফার্ম লিঃ এর আয়োজনে কাপাসিয়ায় পরিত্যক্ত ও অব্যবহত জৈব সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও কর্মস্থান বিষয়ক আলোচনা সভা হয়। শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গতাজ কন্যা সিমিন হোসেন রিমি এমপি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ ইসমত আরা’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য কমিশনার (সিনিয়র সচিব) সুরইয়া বেগম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহ্ফুজুল কাদের, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নীলিমা রায়হানা, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বদু, মিজানুর রহমান, রেজাউর রহমান লস্কর, আসাদুজ্জাম আসাদ, রওশন আরা সরকার, মাহবুব উদ্দিন সেলিম, চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন, এম এ গাফ্ফার, আইবুর রহমান সিকদার, শাহিনুর আলম সেলিম প্রমুখ।
সিমিন হোসেন রিমি বলেন, সবুজ অর্থনৈতিক জোন গঠনের কাপাসিয়ায় অনন্য ভূমিকা পালন করবে। জৈব সার রাসায়নিক সারের চেয়ে অধিক কার্যকর। সারায়নিক সার মাটির গন্ধ ও উর্বরতা নষ্ট করে দেয়।
সুরাইয়া বেগম বলেন, ২০১৫ সালে কাপাসিয়ায় জৈব সার প্রয়োগ শুরু হয়। কৃষকরা এ সার ব্যবহারে অধিক ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। শীতলক্ষা নদীকে ময়লা ও আবর্জনা থেকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
মাহ্ফুজুল কাদের বলেন, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটির গুনাগুণ কমে মাটি শক্ত হয়ে যায়। শ্যামল বাংলা জৈব সার ব্যবহারের ফলে অধিক ফলন আশা করা যায় এবং খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। জৈব সার ব্যবহার করলে জমিতে কোন কীটনাশক লাগে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ