News Bangla 24 BD | গাজীপুরের ধান গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণে দুর্নীতি ও কর ফাঁকির অভিযোগ - News Bangla 24 BD
News Head
 দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ হারায় বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে ব্রেইন চিপ ডিভাইসের অনুমোদন দিয়েছে চীন পপ তারকা টেইলর সুইফটই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

গাজীপুরের ধান গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণে দুর্নীতি ও কর ফাঁকির অভিযোগ


গাজীপুরের ধান গবেষণা ক্যাম্পাসে ধান গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে সর্বত্র দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন মিডিয়ায়, তথাপিও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না। ফলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
জানা যায়- ধান গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার ও শিক্ষার্থীদের জন্য কমন রুমের সংকট রয়েছে অনেক দিন। মানবিক শাখার পাঠদান কার্যক্রমও বন্ধ। ফলে কর্তৃপক্ষ ৫তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে মোতাবেক বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আখের আলী দেওয়ান ভবন নির্মাণ কাজও শুরু করেন। কিন্তু সেই নির্মাণ কাজে নেই কোন বৈধতা। নিয়ম-কানুনকে বৃদ্ধঙ্গুলি প্রদান করে তিনি তার মনগড়া নিয়মে চালিয়ে যাচ্ছেন সেই ভবন নির্মাণ কাজ। সরকারি নিয়ম ছাড়াই কেটেছেন একাধিক গাছপালা।
একটি সূত্র জানান- প্রধান শিক্ষক আখের আলী দেওয়ান নিজের আখের গোছানোর জন্য এবং সরকারি টেক্স ফাঁকি দেয়ার জন্য ভবন নির্মাণে কোন টেন্ডার আহবান করেননি। তিনি তার ভক্ত লোক দিয়ে বাজার থেকে মালামাল কিনে ইচ্ছামতো বিল-ভাউচার করে চলেছেন। ইতিপূর্বে তিনি ওই একই কায়দায় বিদ্যালয়ের মাঠ উন্নয়নের কাজেও একই নীতিতে কাজ করেছেন বলেও সূত্রটি জানায়।
বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক আখের আলী দেওয়ানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদেরকে জানান স্কুল ফান্ডের টাকায় ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ৫ তলা ভিত নির্মাণ করা হলেও প্রথমে এক তলা নির্মাণ করা হবে। টেন্ডার আহবান না করার বিষয়ে তিনি বলেন- পিপিআরের ডিপিএম পদ্ধতিতে কাজ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে সরাসরি মালামাল ক্রয় করা হয়। আমিও ক্রয় কমিটির একজন সদস্য।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান- এখানে কোন বাজেট নির্ধারণ করা হয়নি। আস্তে ধীরে কাজ করার শর্তে ডিজি মহোদয় ভবন নির্মাণ কাজের অনুমতি দেন। কেননা পদাধিকার বলে ধান গবেষণার ডিজি (মহা পরিচালক) ড. শাহজাহান কবির বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি।
প্রধান শিক্ষক আখের আলী আরো বলেন- রডের বর্তমান বাজার মূল্য ৫৮ টাকা কেজি। আমরা সাধারণত ০৫/১০ টন করে আনছি। এ পর্যন্ত কত টন আনা হয়েছে তা তিনি তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি। অপরদিকে মাঠ ভরাটের বিষয়ে তিনি সঠিক ব্যায় জানাতেও ব্যার্থ হন। তবে বলেন- হয়তো ৪ লাখ টাকার মতো খরচ হতে পারে।
বিদ্যালয়টির সহকারি প্রধান শিক্ষক জীবন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদেরকে বলেন, ভবনটি প্রথমে ২ তলা পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত আছে। এতে ব্যায় ধরা হয়েছে ৯০ লাখ টাকা।
তা ছাড়া ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউটের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদ হাসান ভবন নির্মাণের কোন তথ্য জানাতে পারেননি। তিনি বলেন সব কিছু প্রধান শিক্ষক জানেন। আমরা শুধু ড্রয়িং করে দিয়েছি। তবে তিনি এই টুকু বলেন যে, এই ভবন নির্মাণে সরকারের কোন অর্থ খরচ করা হচ্ছেনা। তিনি আর কোন তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
এদিকে বিভিন্ন সূত্রমতে জানা যায়- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুসারে বহুতল বিশিষ্ট স্কুল ভবন নির্মাণ কাজ স্কুলের উন্নয়ন তহবিলের টাকায় হলেও সরকারি বিধি-বিধান মেনে চলা কর্তব্য। তাছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি হলেও বাজেট বরাদ্দ ও কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষ মালামাল সরবরাহকারীর সাথে কার্য সম্পাদন চুক্তি থাকতে হবে এবং এখানে জামানত গ্রহণ বাধ্যতা মূলক।
বিধিমালায় রয়েছে, এই পদ্ধতিতে কোন ভাবেই অবাধ প্রতিযোগিতা এড়াবার জন্য কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরবরাহকারি ও ঠিকাদারের প্রতি বৈষম্য সৃস্টি বা আনুকুল্য প্রদর্শন করা যাবে না।
একটি সূত্র দাবি করেন যে, আইন-কানুনকে তোয়াক্কা না করেই মোটা অংকের বানিজ্যের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি এই কাজ একক নেতৃত্বে করছেন। যা নিরপেক্ষ তদন্তে বেড়িয়ে আসবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ