News Bangla 24 BD | কাপাসিয়ায় ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণ দিশেহারা কৃষক - News Bangla 24 BD
News Head
 রাজধানীর তিন থানায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭১ ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার বাড়ি নির্মাণে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজীপুরে লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা গাজীপুরে ডাইং কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের সন্ধান, সংযোগ বিচ্ছিন্ন গাজীপুরে আগামী ১৮জুন শুরু হচ্ছে জিয়াউর রহমান স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ‘ওশান ডাটা সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল

কাপাসিয়ায় ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণ দিশেহারা কৃষক


নূরুল আমিন সিকদার : গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আমন ধান ক্ষেতে পাতামোড়ানো ও মাজরা পোকার ব্যাপক আক্রমণ দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১১ ইউনিয়নের অধিকাংশ জমিতে এর প্রার্দুভাব ছড়িয়ে পড়েছে। বাজারজাতকৃত কীটনাশক প্রয়োগ করেও আশানুরুপ ফল পাচ্ছে না চাষীরা। মাঠে সবুজের সমারোহ এখন বিবর্ণ হয়ে পাতা খড় কুটার সাদৃশ্য হয়ে পড়েছে। আমন ক্ষেতের পোকার ব্যাপক আক্রমণে লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা।
এ বছর মৌসুম জুড়ে ঘনঘন বৃষ্টিপাতের কারণে স্যাঁতস্যাতে আবহাওয়ায় আমন ক্ষেতে ব্যাপক হারে বাদামী ঘাস ফড়িং বা কারেন্ট পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় কৃষকরা পোকার হাত থেকে ফসল বাঁচাতে একাধিকবার ওষুধ প্রয়োগ করেও তেমন ফল পাচ্ছেনা। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকে ধান কেটে ফেলছে। কিন্তু তাতেও আশানুরুপ ফলন মিলছে না। প্রতি বিঘা জমিতে স্বাভাবিকভাবে ১০-১২ মন ধান ফলনের কথা থাকলেও পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৬-৭ মন।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, চলতি বছর ৩৬ হেক্টর জমি বেড়ে মোট ১১৫৩৬ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হচ্ছে। এ বছর ধান এবং চাল উৎপাদনের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫১৯০৭ ও ৩৪৬০৪ মেট্রিক টন। গত বছর যা ছিল ৩১২৫৮ মেট্রিক টন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষককের ধান ক্ষেতে দেখা গেছে, লিভ রোলার বা পাতা মোড়ানো পোকা ক্ষেতের সবুজ পাতার উপরের অংশ খেয়ে ধীরে ধীরে নিচে নামছে। সেখানেই ডিম ছাড়ছে। ফলে হলদে বা সাদা হয়ে মরে যাচ্ছে পাতা। কীটনাশক ব্যবহার করেও মিলছে না সমাধান। কৃষি বিভাগের লোক মাঠে না পেয়ে কৃষকরা বাধ্য হয়েই পরামর্শ নেওয়ার জন্য ছুটছেন কীনাশকের দোকানগুলোতে।
উপজেলার আমরাইদ গ্রামের কৃষক বিল্লাল হোসেন, রাওনাটের মাহবুব উদ্দিন, কুরুলিয়ার খলিলুর রহমান, ভাকোয়াদীর আব্দুল হক বলেন, চলতি মৌসুমে বিঘা প্রতি জমিতে ভাড়ার ট্র্যাক্টর দিয়ে জমি চাষ, বীজ বপন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে যে পরিমান খরচ হয়েছে তা মনে হচ্ছে ফলন থেকে পাওয়া যাবে না। কোন ভাবেই পোকা নিয়ন্ত্রণে আসছে না। গত বছরও এমন হয়েছিল। এ বছরও সব খরচ দিয়ে মনে হয় লোকসান হবে। হাইলজোর গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এক বিঘা জমিতে আজ ওষধ ছিটিয়েছি। সবার ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। কি করব ঠিক বুঝতে পারছি না।
কাপাসিয়া উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্ভিদ ও প্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান বলেন, প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেই কম বেশি পোকার আক্রমণ রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আমাদের উপ-সহকারী কর্মকর্তারা কাজ করছেন। পরামর্শ দিয়ে তারা কৃষকদের সহযোগিতা করছেন। অন্যান্য বছর থেকে চলতি বছর আমন ধানের উৎপাদন বেড়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ