News Bangla 24 BD | গাজীপুরে অটোচালক খুনের মামলায় মৃত্যুদন্ড
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

গাজীপুরে অটোরিকশা লুন্ঠন ও অটোচালক খুনের মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদন্ড এবং দোষ প্রমানিত না হওয়ায় এজহারভুক্ত অপর তিন আসামিকে খালাসের দিয়েছেন আদালত।রোববার সকালে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ.কে.এম এনামুল হক ওই দন্ড দিয়েছেন। বিচারক মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি তাকে ১০হাজার টাকা জারিমানা করা ছাড়াও অপর একটি ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। দন্ডিত মো. নাইম ওরফে মহিউদ্দিন নাইম (২৭), গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চতর (এটিআই গেইট) এলাকার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে। খালাস প্রাপ্তরা হলেন- গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চতর এলাকার (নয়াপাড়া) ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হাসান ইমাম ওরফে রাব্বী (২৪), একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফরহাদ (২৩) ও রেজাউল করিম মৃধার ছেলে মো. রায়হান উদ্দিন ওরফে নীরব (২১)। গাজীপুর আদালতের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, স্থানীয় চুন্নু মোল্লার ছেলে মো. জুলহাস মোল্লা কিস্ততিতে এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার সময় অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা ওইদিন সন্ধ্যে ৭টার দিকে গাজীপুর সিটির হাতিয়াব নোয়াইলের টেক এলাকার গজারী বনে জুলহাসের গলাকাটা মরদেহ দেহ দেখতে পেয়ে জয়দেবপুর থানা খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এলাকাবাসীর কাছে নিহতের বাবা জানতে পারেন নাইম ও তার তিন সঙ্গী ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর দুপুরে চতর বাজার থেকে যাত্রী সেজে জুলহাসের অটোযোগে হাতিয়াব খিলপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এরপর ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হাতিয়াব জঙ্গলে তার লাশ পাওয়া যায়। তবে তার অটোর ও মোবাইল ফোনটির আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে পরদিন চুন্নু মোল্লা বাদি হয়ে জয়দেবপুর থানায় ওই চারজনের নামোল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য জয়দেবপুর থানার ওসির নির্দেশে মামলার তদন্তভার ওই থানার এসআই সাইফুল আলম ও জেলা গেয়েন্দা পুলিশের এসআই মোহাম্মদ হাসান আংশিক তদন্ত করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তরিত হয়। পরে সিআইডির পরিদর্শক খোন্দকার জাহাঙ্গীর কবীর দীর্ঘ তদন্তশেষে ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল কেেরন।পরে আদালত সাতজনের স্বাক্ষ্যশেষে দোষ প্রমানিত না হওয়ায় তিনজনকে মামলা থেকে খালাস ও নাইমের মৃত্যু, অর্থদন্ড ও কারাদন্ডে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। এসময় নাইম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে মো. আতাউর রহমান, মামলাটি পরিচালনা করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ