News Bangla 24 BD | নৌকার ব্যাজ পরে বিএনপি কর্মীরা কেন্দ্র দখল ও গন্ডগোল পাকাতে পারে - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

নৌকার ব্যাজ পরে বিএনপি কর্মীরা কেন্দ্র দখল ও গন্ডগোল পাকাতে পারে


॥ এম এ ফরিদ ॥

নির্বাচনকে বানচাল করার লক্ষে সারাদেশেই বিএনপি- জামায়াত জোট দাঙ্গা- হাঙ্গামা শুরু করে দিয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপি- জামায়াত জোটের হামলায় আওয়ামীলীগের ২/৩ জন নীরিহ কর্মী নিহত ও শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। নির্বাচনের দিন তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে সহিংস ঘটনা ততই বাড়ছে। বিএনপি- জামায়াত জোট দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকায় এখন তারা ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফলে নির্বাচনের মাঠ দখলে রাখতে সহিংস পন্থাকেই তারা বেছে নিয়েছে। বেশ কিছু সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করার সিদ্ধান্ত হাতে নিয়েছে। কৌশল অবলম্বন করার মাধ্যমে ওই দলগুলোর কর্মীরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোট কেন্দ্রগুলো দখলে নিতে পারে। বিশেষ করে নৌকা মার্কার ব্যাজ বুকে ধারণ করে জয় বাংলার স্লোগান দিয়ে সহিংস ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করবে বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ মহল। একাধিক সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে বিএনপি- জামায়াত জোট অর্থের মাধ্যমে ভোট কিনতে পারে। তাছাড়া আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন বিএনপি অনেক স্থানে ব্যলট পেপার ছাপিয়ে তা দিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের অভিমত এমন পরিস্থিতি ঠেকাতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পাশাপাশি আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদেরও সজাগ থাকতে হবে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় ব্যক্তিদের পাহারা নিশ্চিত করতে হবে। অপরিচিত ও বহিরাগত ব্যক্তিদের দেখা মাত্র চ্যালেঞ্জ করতে হবে। প্রয়োজন বোধে আওয়ামীলীগ , যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অন্যান্য জোটের কর্মীদের নিয়ে একটি করে টিম গঠন করে ভোটের ২/৩ দিন আগে থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলো পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কালো টাকার অবাধ ব্যবহার বন্ধে রাতের বেলায় পাড়ায়- মহল্লায় পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বিএনপি- জামায়াতের ঘাটি খ্যাত এলাকাগুলোতে আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদেরও সজাগ থাকতে হবে। বিএনপি- জামায়াতের ক্যাডাররা নিজেরাই নিজেদের লোককে হত্যা কিংবা কোন নির্বাচনী অফিস জ্বালিয়ে দিয়ে সরকার দলের নেতাকর্মীদের ওপর দোষ চাপাতে পারে। তাছাড়া বিদেশী পর্যবেক্ষকদের ওপরও নজর রাখতে হবে। বিএনপি- জামায়াত জোট বর্তমান সরকারকে হঠানোর জন্য অনেক বিদেশী শক্তির উপর নির্ভর করে আসছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বরের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে বানচাল করতে বিএনপি-জামায়াত জোট বিদেশী প্রভূদের পিছনে হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে। তাই সরকারের উচিত হবে দেশী-বিদেশী প্রতিটি নির্র্বাচনী পর্যবেক্ষককে নজরে রাখা। তারা কোন দলকে পৃষ্ঠপোষক করছে কিনা কিংবা কোন ধরনের উস্কানী দিচ্ছে কিনা তাও নজরদারীতে আনতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ